সাইফাই জনরার মুভি আমার অনেক পছন্দের জনরার মুভি বললেই চলে, আর যদি সেটা হয় স্পেস রিলেটেড তাহলে তো আর কথাই নেই,দেখতে তো হবেই, এ মুভিটি আমি অনেক আগেই দেখছিলাম আজ কেন জানি হঠাৎ মনে পড়লো মুভিটার কথা তাই রিভিউ দেওয়া আরকি, Interstellar এর পরে যদি কোন সাইফাই মুভি আমার ভালো লেগে থাকে তাহলে সেটা এ মুভিটিই হবে, যদিও Passengers মুভিতে একটু রেমাঞ্চ এর ছোয়া আছে, তারপরেও এটাই হবে।
[ হাল্কা স্পয়লার ]
প্লট :-
এ মুভি কাহিনী শুরু হয় এভালন নামক একটা স্পেসশিপ কে দেখার মধ্যে দিয়ে, একটি স্পেসশীপ যেটাতে ৫০০০+ যাত্রী ২৫৮ জন ক্রু নিয়ে Homestead 2 নামক একটি গ্রহে যাওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করে আর সেই গ্রহে যেতে এভালন স্পেসশীপ এর সময় লাগবে ১২০ বছর ,ততদিন স্পেসশীপ এর সকল Passengers দের হাইবারস্লিপ দিয়ে ঘুম পারিয়ে রাখা হয়েছে, যারা কিনা জেগে উঠবে ১২০ বছর পরে। কিন্তু স্পেসশীপ এর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জীম (Chiris Pratt) নামের এক যাত্রীর ৯০ বছর আগেই ঘুম ভেঙে যায়,
এরপরে জীম স্পেসশীপ এর ত্রুটির রহস্য খুজতে শুরু করে ,আর তার রহস্য খুজতেই এক বছরের মতো সময় শিপেই কেটে যায় ,এরপরে জীম (Chiris Pratt) আবারো জানতে পারে যে এাভালন স্পেসশীপ টির Homestead 2 গ্রহতে পৌছাতে আরো ৮৯ বছর লাগবে, আর তার পহ্মে তো আবার পূনরায় হাইবারনেশন এ যাওয়া সম্ভভ না, এখন ৮৯ বছর জীম একা একা কিভাবে শিপে কাটাবে ?এরপরে শীপ এ একা একা থাকতে অনেক নিঃসঙ্গ ও বিরক্তিকর বোধ করে জীম (Chiris Pratt )।
এরপরে একদিন জীম তাদের শীপ এ অ্যারোরা (Jennifer Lawrence) নামের একজন প্যাসেন্জার্স কে দেখতে পায়, আর অ্যারোরা কে প্রথম দেখাতে ভালো লেগে যায় জীম এর, আর জীম অ্যারোরা কে হাইবানেশন থেকে জাগানোর কথা ভাবে, অবশেষে জাগিয়েও ফেলে। এরপর থেকেই শুরু হয় মুভির আসল কাহিনী, বাকি টা জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই মুভিটা দেখতে হবে।
ভালো লাগা :-
মুভি আসলেই অনেক ভালো লাগছে আমার কাছে, স্পেস মুভি বলতে আমরা যা বুঝি এ মুভিটি তার থেকে একটু অন্যরকম, কারন এ মুভিতে রোমান্টিকতার ছোয়া একটু বেশিই ছিল তাই বলছি এ মুভিটি শুধু সাইন্স ফিকশন না রোমান্টিকতার কাতারেও ফেলা যায়, এ মুভির গল্পটা সেই রকম ভাবে সাজানো হয়ে, যা আমার কাছে অনেক ভালো লাগছে, আরেকটা জিনিষ আছে যেটার কথা না বললেই নয় vfx গুলো সত্যিই অসাধারন ছিল, আর তার সাথে Jennifer Lawrence এর অসাধারন, আহ হা কি ভালো টাই না লাগছে,পুরো মুভিটা যেন লরেঞ্জ এর দিকে তাকি শেষ করা যায়, শেষে একটা কথাই বলবো যারা স্পেস রিলেটেড মুভি পছন্দর করেন তারা Passengers মুভিটা দেখতে পারেন ভালোই লাগবে আশা করি।
প্যাসেঞ্জার (Passengers) সিনেমার পাবলিক রিভিউ - 2
রিভিউ লিখেছেন- Probir Yadab
#হালকা_স্পয়লার
Movie Name - Passengers
IMDb - 7/10
প্রথমেই বলে দেই Christopher Nolan এর মাস্টারপিস Interstellar এর সাথে কেও কম্পেয়ার করবেন না প্লিজ।
সারা মুভি জুরে হয়তো আপনি ৩-৪ জন মানুষের বেসি কাওকে দেখতে পাবেন না।
মুভির মেইন চরিত্রে অভিনয় করেছেন Cris Pratt এবং Jennifer Lawrence।
মুভি প্লট মুভিতে দেখা গেছে পৃথিবী থেকে কিছু মানুষ অন্য এক গ্রহে বসবাস করার জন্য পারি দিয়েছেন, এবং সেই গ্রহে যেতে তাদের সময় লাগবে প্রায় 120 বছর। কিন্তু মাঝে ঘটে যায় এক ঘটনা, সেই ঘটনাটা কী?
সেটা জানতে হয়তো একবার হোলেও দেখা উচিত এই মুভিটি।
মুভির Acting, cinematography সবই ভালো, আর তার থেকেও বেশি ভালো হচ্ছে মুভির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। উফঃ মনের দাগ কেটে জায়।
সব মিলিয়ে যারা যারা Romantic, Sci-fi, Space & Adventure টাইপের মুভি দেখতে ভালোবাসেন তাদের জন্য হাইলি রিকমন্ডেড কোরবো।
জিম এবং আ্যারোরার লাভ স্টোরি নিয়ে বানানো একটি সিনেমা ৷ লাভ স্টোরি বললে ভূল হবে কারন এটা অন্যরকম একটা কাহিনী নিয়ে বানানো হয়েছে ৷ কারও যদি একশন ভালো লাগে তাহলে তার জন্য এই মুভিটি না ৷ কেননা ভাই এই মুভিটি খুবই সিম্পল ভাবে বানানো হয়েছে যা দেখলে আপনি সত্যিই মুগ্ধ হয়ে যাবেন ৷ স্টোরিলাইন খুবই ভালো লাগছে আহামারি কোনো থ্রিলারও নাই তবে কিছুটা আগ্রহ থাকবে শেষটা দেখার জন্য ৷
নতুন একটা গ্রহে নতুন কিছু নিয়ে বসবাস করতে যাওয়া ৫২৫০জন যাত্রী নিয়ে নিয়ে এই মুভিটি তৈরি করা হয়েছে ৷
একটা গ্রহে পৌছাতে ১২০ বছর লাগে সেখানে সবাইকে শীতনিদ্রায় শায়িত করা হয় এবং গন্তব্যে পৌছার ঠিক ৪ মাস আগে সবাইকে জাগিয়ে দিবে অটোমেটিক্যালি এই মহাকাশযানটি ৷ কিন্তুক পৌছানোর ৯০বছর আগেই যদি একজন মানুষ ঘুম থেকে উঠে যায় তাহলে কেমনটা লাগবে!!?
সে একা কী করবে আর ঘুম থেকে জেগে উঠলে পুনরায় ঘুমানোর কোনো প্রক্রিয়া তৈরি করা কী সম্ভব না অসম্ভব? কী হবে না হবে? পৌছাতে কী পারবে গন্তব্যে? আসলেই কী হবে শেষে?
জানতে চাইলে মুভিটি দেখে ফেলুন ৷
মুভিটা আমার কাছে আসলেই খুব ভালো লেগেছে ৷ কারন আহামারী কোনো অবাস্তব সিন এই মুভিটাতে দেখি নাই ডাইরেক্টর যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন বাস্তবের সাথে মিল রেখে মুভিটি বানানো যেন কোথাও অবাস্তব/কাল্পনিক মনে না হয় ৷
হ্যাপি ওয়াচিং
প্যাসেঞ্জার (Passengers) সিনেমার পাবলিক রিভিউ - 4
রিভিউ লিখেছেন- Niloy
Movie - Passenger
এই মুভিটার রিভিউ কিছুদিন আগেই গ্রুপে দেখি।স্টোরিটা আমার কাছে বেশ ভাল লাগে। অবশেষে আমিও মুভিটা দেখে ফেললাম। ৫০০০ যাত্রী নিয়ে যাওয়া মহাকাশযানের গন্তব্য ভিন্ন একটি গ্রহ।যেখানে যেতে সময় লাগবে ১২০ বছর। আর তার জন্য সবাইকে ১২০ বছরের জন্য ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।কিন্ত ৯০ বছর আগেই ঘুম ভেঙ্গে যায় এক যাত্রীর।মূলত এখান থেকেই গল্পের শুরু।এছাড়া মুভিটিতে একটা জিনিষ ভালই বুঝিয়েছে যে আপনি যতই বিলাসবহুল জীবন পান না কেন একা থাকা আপনার পক্ষে অসম্ভব।
IMDb রেটিং :৭.১/১০
আমার রেটিং : আমি পয়েন্ট দিতে পারি না শুধু এটা বলতে পারি ভাল লাগার মত মুভি এটি। মুভিটি দেখলে আপনার সময় বৃথা যাবে না।
কিছু মুভি না দেখলেই নয়। আমি বলি জীবনটাই বৃথা বা অনেক দেরি তে দেখলে আফসোস কেনো আগে দেখলাম না।
আমার কাছে Passenger তেমনি একটা মুভি। রিলিজ হবার পর দেখেছিলাম কাল আবার দেখলাম। সত্যি স্পেস নিয়ে এর চেয়ে কোনো ভালো মুভি আমি দেখি নি।
কাহিনী সংক্ষেপঃ
পৃথিবী থেকে ৫০০০ যাত্রি Homestead 2 নামক গ্রহে যাত্রা শুরু করেছে নতুন আবাসস্থল তৈরি করার জন্য। যেতে সময় লাগবে ১০০ বছরের বেশি তো এত দিন মানুষের বেচে থাকা সম্ভব নয়। তাই সকল যাত্রী কে হাইবারনেশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয় । কিন্তু পথি মধ্যে হাইবারনেশন ফল্টের কারণ Chris pratt এর ঘুম ভেঙ্গে যায়। সে ঘুম একা হয়ে পরে আর পুরো স্পেস শিপে এক বছরের মত ঘুরে বেড়ায়। একাকীত্ব দূর করার জন্য জেনিফার লরেন্সকে সে হাইবারনেশন থেকে জাগিয়ে তুলে। এই ভাবে ভাবে আস্তে আস্তে কাহিনী সামনে আগায়। সত্যি বলতে ১ সেকেন্ড এর জন্য বিরক্ত হবেন না। জেনিফার লরেন্সের বেষ্ট পারফরমেন্স ছিল এই মুভিতে।
আশা করি সবাই দেখে নিবেন।
প্যাসেঞ্জার (Passengers) সিনেমার পাবলিক রিভিউ - 6
রিভিউ লিখেছেন- TJ Turag
Movie Review : Passenger(2016)
IMDb :7/10
TOMATOMETER :30%
Director : Morten Tyldum
Stars : Jennifer Lawrence(আরোরা), Chris Pratt(জিম),...
মুভিটা শুর হয় স্পেসশিপ অ্যাভলন এর যাত্রায়ের মাধমে, পৃথিবী থেকে স্পেসশিপ অ্যাভলন 120 বছরের ভ্রমণে 5000 জন যাত্রীকে একটি দূরবর্তী গ্রহ'Homestead II'তে নিয়ে যাচ্ছে ।যাত্রীরা সবাই হায়পার স্লিপ আছে ১২০ বছর পর তাদের সবার ঘূম ভাঙবে । সবই ঠিক চলছিল যতক্ষণ না পর্যন্ত প্র্যাট জিম প্রেস্টন জেগে উঠেন, যাত্রা শেষ হওয়ার ৯০ বছর আগে ।জিম প্রেস্টন বিষয়টি বুঝতে পেরে আবারো হায়পার স্লিপ যাওয়া চেষ্টা করে কিন্তু কিছু দিন চেষ্টা করারা পর সে উপলব্ধি করে যে সে বৃথা চেষ্টা করছে কারন তা আর সম্ভব নয়।তখন একাকী জিম এর পরিচয় হয় এক বিস্ময়কর রোবট বারর্টেন্ডার এর সাথে এবং তার দিন কাটতে থাকে । কিছুদিনের জন্য সে বিলিয়ন ডলার শিপ এর বিলাসী জাঁকজমক ও প্রযুক্তি উপভোগ করে । এভাবে জিম এর এক বছর কেটে যায় ।তার দাড়ি বাড়তে থাকে,একাকী জিম তার দাড়ি কাটার ও প্রয়োজন মনে করে না।একাকীত্ব,বিষণ্নতা,হতাশা তাকে গ্রাস করে ফেলে । সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেও পারে না।এর এ মাঝে জিম হায়পার স্লিপে ঘুমন্ত স্নাতক সৌন্দর্যের তরুণী আরোরা কে দেখতে পায় এবং একা জিম আরোরার প্রতি কৌতূহলী হয় । জিম তারপর আরোরার প্রোফাইল ঘাটাঘাটি করে আরোরার প্রেমে পরে যায় । দোটানার মাঝে একাকীত্ব কাটাতে সে আরোরা কে ও অন্যায় ভাবে হায়পার স্লিপ থেকে জাগিয়ে তুলে। এরপর থেকে মুভি তে নানা টুইস্ট আসতে থাকে.....
ভালো দিক : জেনিফার লরেন্স ও ক্রিস প্র্যাট এর অভিনয় ভালো ছিল এবং VFX অসাধারণ ছিল । স্পেস মুভি হিসেবে ভিসুয়াল দিক সবই ছিল চমকপ্রদক,হাই টেক রোবট,সোলার সিস্টেম,লাইটিং,জিরো গ্রেভিটি,অ্যাডভান্সপ্রযুক্তি।বিশেষ করে বারর্টেন্ডার রোবট মুভি তে নতুন মাত্রা যোগ করেছে । সিনেমাটোগ্রাফিতে কিছু গভীর সুন্দর মুহুর্তও রয়েছে, যেমনটি যখন জিম নিজের প্রথম স্পেসওয়াকটি একা নিয়ে যান।চলচ্চিত্র একাকীত্বের জন্য রূপক হিসাবে কাজ করে এবং এটি বিজ্ঞান কথাসাহিত্যের একটি ভাল সন্ধান এবং আকর্ষণীয় সৃষ্টি।
খারাপ দিক : মুভিটিতে অভিনয় এর ঘাটতি নেই তবে মুভি টা আর একটু ভালো করা যেত যদি আরো টুইস্ট এড করা হতো। ষ্টোরি আর একটু Strong করা যেত । মুভি টা তে Grandness কম,কেমন যেন একটু বেশি Dull টাইপের । মুভি জুড়ে মাত্র চার জনের উপস্থিতি । টোটালি ষ্টোরি Problem.
মতামত : এটি অন্য স্পেস মুভি থেকে আলাদা তাই Interstellar,Gravity,The Martian এর মত আশা করে মুভি দেখলে হতাশ হবেন,কারন এটি Science
Fiction,Romance টাইপের মুভি ।আপনি এই চলচ্চিত্রটি উপভোগ করবেন, বিশেষত যদি আপনি ভিন্নধর্মী ছবির প্রত্যাশা করেন।
যারা সাধারনত Space related মুভি পছন্দ করেন,তাদের জন্য এই মুভিটা Best.
পৃথিবী থেকে ৫০০০+ যাত্রী নিয়ে Homestead 2 নামক একটি নতুন গ্রহে ১২০ বছরের জন্য যাত্রা শুরু হয়।কিন্তু ৯০ বছর আগেই স্পেসশীপে ত্রুটির কারনে জিম নামের এক যাত্রীর ঘুম ভেঙে যায়।প্রথমে সে কিছু বুঝতে না পারলেও ধীরে ধীরে সব বুঝে যায় যে,ত্রুটির কারনে সে ৯০ বছর আগেই জেগে উঠেছে।এতে জিম মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পরে ,একাকিত্ব সহ্য করতে না পেরে সুইসাইডের দিকেও ঢেলে পরে,কিন্তু সাহস পায় না।এরপর তার চোখ যায় এরোরা নামের এক মেয়ের ওপর যে স্পেসশীপে ঘুমিয়ে ছিলো।তখন জীম তাকে জাগিয়ে তোলে,নিজের একাকিত্ব দুর করার জন্য।তারা ধীরে ধীরে সময় কাটাতে থাকে,হঠাৎ এরোরা জানতে পারে,তার ঘুম ভাঙার জন্য দায়ী জীম।তাদের মাঝে দারার সৃষ্টি হয়,আরো অনেক ঘটনা ঘটে,এমনকি মুভির আসল পার্টটাই ঘটে বলতে গেলে।সেটা দেখার জন্য আপনাকে পুরো মুভিটা দেখতে হবে।(I love this ending)
Happy watching (3rd review)
প্যাসেঞ্জার (Passengers) সিনেমার পাবলিক রিভিউ - 8
রিভিউ লিখেছেন- Emam Hasan Shojib
#নো স্পয়লার
মুভির নামঃ Passengers
প্লটঃ ৫০০০ লোক এবং কয়েকশ ক্রু মেম্বার নিয়ে পৃথিবী থেকে হোমস্টেড গ্রহে, বসবাসের জন্য যাত্রা করে একটি উড়ন্ত জাহাজ। পৃথিবী থেকে সেই গ্রহের দূরত্ব ১২০ বছরের। তাই জাহাজটি অটো মুডে দিয়ে প্লেনের সবাই ১২০ বছরের জন্য ঘুম দেয়। সব ঠিকই চলছিলো হঠাৎ মকাকাশে বড় বড় স্টোনের সাথে বাড়ি খায় জাহাজটি। ঘুম ভেঙ্গে যায় জিম প্রেস্টন নামে ঘুমিয়ে থাকা এক মেকানিক ইঞ্জিনিয়ারের। হোমস্টেড গ্রুহে যাওয়ার ৪ মাস আগে তাদের ঘুম ভাঙার কথা জিম ভাবে হয়তো আর ৪ মাস বাকি আছে সেখানে যেতে কিন্তু কিছু সময় পরই সে বুঝতে পারে কোনো এক সমস্যার কারনে তার ঘুম ৯০ বছর আগেই ঘুম ভেঙ্গে গেছে। এখন? কি করবে সে? জাহাজে সে ছাড়া আর কারোই ঘুম ভেঙ্গে যায়নি। অই বিশাল জাহাজে শুধুমাত্র সে একাই জীবন্ত মানুষ। আর সবাই ঘুম ভাঙবে ৯০ বছর পরে। জিম এখন কি করবে? জানতে হলে দেখতে হবে মুভিটি।
অভিনয়ঃ জিম চরিত্রে অভিনয় করা Chris pratt ছিল অসাধারণ। অরোরা চরিত্রে অভিনয় করা Jennifer Lawrence অভিনয় ছিলো মনে গেথে যাওয়ার মতো। আর্থার ও গাস চরিত্রে অভিনয় করা দুজন ও তাদের সেরাটা দিয়েছে।
মন্তব্যঃ মাত্র ৪ জন লোক নিয়ে এতো সুন্দর মুভি বানানো প্রশংসা করার মত। অরোরা কেরেক্টার প্লে করা তো রীতি মত ক্রাশ খেয়ে গেছি। তার ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট নেই দেখে খানিকটা হতাশ হয়েছি। মুড ঠিক করে দেওয়ার মত একটি মুভি৷ ফ্রি সময় থাকলে এখনি বসে পড়ুন।
আমার কাছে হলিউড মুভি মানেই sci-fi মুভি। আমার দেখা বেস্ট কিছু sci-fi মুভিগুলো নিয়েই পোস্টটি করলাম।এই মুভিগুলো আমাকে যে পরিমাণ thrill দিয়েছে আশা করি যারা আমার মত sci-fi lover তাদের একই পরিমাণ thrill দেবে।
দেখে নিতে পারেন নির্দ্বিধায় যদি আপনিও sci-fi লাভার হয়ে থাকেন
৭। What happened to Monday (personal rating 7.5/10 , imdb 6.9)
৮। Looper (personal rating 8/10 , imdb 7.4)
৯। Triangle (personal rating 7/10 , imdb 6.9)
১০। Time trap (personal rating 7.5/10 , imdb 7.3)
১১। Coherence (personal rating 7.5/10 , imdb 7.2)
এগুলো শুধুমাত্র আমার personal rating, সবগুলো মুভিই আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। এগুলো ছাড়াও আরো অনেক sci fi মুভি দেখেছি আমি তবে এগুলোর সাথে তুলনা হয়না। ভূলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
0 Comments