সিন্ডিকেট (Syndicate) ওয়েব সিরিজ পাবলিক রিভিউ

Syndicate webseries public review



সিন্ডিকেট (Syndicate) ওয়েব সিরিজ পাবলিক রিভিউ - 1

রিভিউ লিখেছেন- Sazzad Talukdar

 #Syndicate/#Kaiser.. কোনটি আসল সিন্ডিকেট?

#spoileralert

সিন্ডিকেট এর কাহিনী সংক্ষিপ্ত। ছোট্ট একটি বিষয়কে অতি অসাধারণ ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রথমের দিকে একটু স্লো মনে হতে পারে। বেশ কয়েকটি টুইস্ট ও আছে। Got এর মতো প্রতিটা এপিসোডের শেষে একটা টুইস্ট থাকে। যা আপনাকে পরবর্তী পর্বে টেনে নিয়ে যাবে নিমিষে। নিশু, তুষি, ফারিন, শতাব্দী ওয়াদুদ.. সবাই খুব ভালো পারফর্ম করেছে। বিজিএম টাও জোস ছিলো। কিন্তু, আমার মতে, এই ওয়েব সিরিজের নাম কোন ভাবেই সিন্ডিকেট হওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। #kaiser এ দেখলাম, ৪/৫ টা গ্রুফ আছে। তারা একেক জন একেক জায়গায় সেট হয়ে ড্রাগ ডিলিং, স্মাগলিং করে। তাদের অবশ্য এজেন্সী বলা হয়। এক জনের কর্মকাণ্ড অন্য জনের সাথে জড়িত। তারা প্রত্যেকেই নিজের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত এবং শক্তিশালী। রিয়েল লাইফের সিন্ডিকেটের মতো তাদের কার্যক্রম। একসাথে নায়ক কে থ্রেট দেওয়া, ক্রাইম পার্টনার হওয়া। আবার নিজে খুন করে পার্টনারের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া। অসাধারণ! কিন্তু, "সিন্ডিকেট ওয়েব সিরিজে" এ এরকম রিয়েল লাইফের মতো সিন্ডিকেটিং দেখলাম না। ওখানে এক জনই মাস্টার মাইন্ড ছিলেন, LM Shapan. কিন্তু কায়জার এ, সব কয়টা ভিলেন ই মাস্টার মাইন্ড। রিয়েল লাইফের সিন্ডিকেটের মতো এদের আলপনা, কল্পনা, জ্বাল বুনা, ফাঁদে ফেলা ইত্যাদি ছিল অসাধারণ। এবার আসি গুণের কথায়। বাংলাদেশের ওয়েব সিরিজ সত্যি সত্যিই এক অনন্য পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। সিন্ডিকেট, কায়জার, এই ২টা সিরিজ ই দেখার সময় ভারতীয় সিরিজের ফিলিংস পাচ্ছিলাম। মনোমুগ্ধকর সিন, অসাধারণ বিজিএম, ব্রিলিয়ান্ট ব্রিলিয়ান্ট ডায়ালগ, আহ্ কি চমৎকার থ্রিলিং!! আমি ব্যক্তিগত ভাবে ডিটেক্টিভ গল্প বেশি পছন্দ করি। তাই হয়তো কায়জার বেশি ভালো লেগেছে। জানিনা আপনারা কে কীভাবে নিবেন! তবে উভয়ইটাই প্রশংসার যোগ্য। দেশীয় ওয়েব সিরিজ, দিন দিন হয়ে যাচ্ছে মাস্টারপিস!!

সিন্ডিকেট (Syndicate) ওয়েব সিরিজ পাবলিক রিভিউ  - 2

রিভিউ লিখেছেন- Sad Ibn Mahabub
#Spoiler_alert
Series Name: Syndicate 
No. of Eoisode: 07
Genre: Crime-Thriller 
Personal Rating: 7.5/10
"কাজল চোখের মেয়ে
আমার দিবস কাটে বিবশ হয়ে
তোমার চোখে চেয়ে।"
বাংলাদেশের আরেকটি ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ হলো সিন্ডিকেট। সিরিজ জগতে শিহাব শাহীন এর একটি সুন্দর সৃষ্টি। অভিনয়ে আফরান নিশো, নাজিফা টুশি, তাসনিয়া ফারিন সহ আরও অনেকে। অভিনয়ের দিক থেকে আফরান নিশো (আদনান) এক কথায় অনবদ্য। নাজিফা টুশির (জিশা) অভিনয় কিছু যায়গায় ভালো লাগে নি। আর কিছু যায়গায় তার এক্সপ্রেশন আসলেই প্রশংসার দাবিদার। তাসনিয়া ফারিন (স্বর্ণা) তার বেস্ট দিয়েছেন।
আমাদের গল্পের জিশা আর আদনান একে অপরকে ভালোবাসে। আদনানের ছোট থেকেই একটু মাইল্ড অটিজমের সমস্যা আছে তাই সে বাইরের পরিবেশে চটজলদি মিশতে পারে না। আর তার এই সরলতাই ভালো লেগে যায় জিশার। সে আদনানের প্রেমে পড়ে। গল্পে দেখা যায় তারা দুজনেই একটি বেসরকারি ব্যাংকের জব হোল্ডার। জিশা সিনিয়র অফিসার আর আদনান আইটি এক্সপার্ট। ভালোই চলছিলো তাদের প্রেম। হঠাৎ করেন আদনান জিশার মাঝে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করে। সে জিশাকে অলয়েজ চিন্তিত, অস্থির এভাবে দেখে তার কাছে কারণ জানতে চায়। জিশা জানায় ২-৩ দিন পরেই সে সব আদনান কে জানাবে। এর মধ্যে জিশা হঠাৎ আদনানকে ফোন দিয়ে জানায় তারা আজই কাজি অফিসে গিয়ে এই মুহুর্তে বিয়ে করবে। তাই আদনান কে সে বেরিয়ে আসতে বলে অফিস থেকে। কথা মতো আদনান বাইরে বের হতেই তার সামনে রাখা গাড়ির উপরে উড়ে এসে পড়ে জিশার বডি। চারদিকে রক্তে ভেসে যেতে শুরু করে। চোখের সামনে নিজের প্রেমিকার রক্তাক্ত লাশ দেখে আদনান ট্রমাটাইজড হয়ে পড়ে। শুরু হয় পুলিশি তদন্ত আর সেখানে বরাবর দোষী করা হয় আদনান কে যে সে জিশাকে এটা করতে প্ররোচিত করেছে তার মানে তারা এটা প্রমাণ করতে চায় যে জিশা আত্মহত্যা করেছে। আদনান আর জিশার সম্পর্কে ঝামেলা চলছিলো তাই জিশা মুক্তি চেয়েছে আদনানের কাছে থেকে কিন্তু আদনান না দেয়ায় জিশা আত্মহত্যা করেছে। 
কিন্তু আদনান তা মানতে নারাজ। যে মেয়ে ২০ মিনিট আগেই ফোন দিয়ে বিয়ে করার জন্য কাজী অফিসে যেতে বললো সে কেন আত্মহত্যা করবে!!! কিছুতেই ঘটনা মেলাতে পারে না আদনান। তার মাথায় স্টাক হয়ে যায় জিশাকে হত্যা করা হয়েছে। এখন সে কি আসলেই এটা প্রমাণ করতে পারবে যে এটা একটা মার্ডার? নাকি সে ব্যর্থ হবে? আর কেনই বা জিশা  মৃত্যুর আগে একটি কোড সেন্ড করতে চেয়েছিলো আদনান কে? কি আছে ওই কোডের ভেতর? এইসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে দেখতে হবে সিন্ডিকেট সিরিজটি। প্রথম দিকে বেশ স্লো লাগলেও শেষে এসে একটু ভালো ফীল দিচ্ছিলো। তবে লাস্ট এপিসোডের ক্লাইমেক্সে ভালো লাগলেও হতাশ হয়েছি এন্ডিং দেখে। এন্ডিং খারাপ ছিলো বলবো না। তবে মনে হচ্ছিলো এন্ডিং এ কি যেন নেই; কিছু থাকলে ভালো লাগতো আর লাস্ট এপিসোডে তাসনিয়া ফারিনের পরিনতি তে আমি হতাশ হয়েছি। এটা না রাখলেও পারতো। 
সিজন ২ আসবে কিনা জানি না। হয়তো আসবে;  কারণ দোষীদের শাস্তি হয় নি। আর অনেক দোষী হাইলাইট ও হয় নি।
সবশেষে হ্যাপি ওয়াচিং


সিন্ডিকেট (Syndicate) ওয়েব সিরিজ পাবলিক রিভিউ  - 3

রিভিউ লিখেছেন- Monzur Ahmed Quaderi Khosru
Syndicate ( 2022) Country : Bangladesh
Season 01 Episode 07
some spoilers
বিরিয়ানি খাওয়ার পর যদি আমাকে খিচুরি গরুর মাংশ খেতে দেয় আর খিচুরি রান্না যতই ভালো হোক না কেনো বিরিয়ানীর মত টেস্ট মুখে লাগবে না। তবে খিচুরি গরু মাংশ খাওয়ার পর যদি এক প্লেটে গরম বিরিয়াণী খেতে দেয় তাহলে কিন্তু বিরিয়ানী মুখে টেস্ট লাগবে। খিচুরির টেস্ট হারিয়ে যাবে। ‘’কায়জার’’ হলো বিরিয়ানী আর ‘’সিন্ডিকেট’’ হলো খিচুরি গরু মাংশ। আমার অবস্থা ঠিক তাই হয়েছে। আমি আগেই কায়জার দেখে ফেলেছি যার দরুন সিন্ডিকেট আমার কাছে কায়জারের মত বেটার ও টেস্ট লাগে নাই, তবে সিরিজটা আসলেই বেটার। আরেকটি বেটার ক্রাইম ড্রামা উপহার পেলাম। ক্রাইম ড্রামার মধ্যে রোমান্টিকের উকি ঝুঁকি তো আছেই।।
নাজিফা তুষির লুকিং এক্সপ্রেশন ও অভিনয় ভালো ছিলো, অভিনয় খারাপ হয় নাই তবে অসাধারণ না। আপনারা অনেকে যেভাবে তুষির প্রশংসা করেছেন তাতে মনে হয়েছিলো ক্রিয়েটিভিটি পার্ফরমেন্স করেছে কিন্তু আমার কাছে সেটা মনে হয় নাই। যদিও এটা যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তুষিকে ভালো লেগেছে কিন্তু অসাধারণ মনে হয় নাই। যদিও যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সিরিজে সাইকোলজিক্যাল ফাইট ও দ্বন্দটা ভালই জমেছিলো। অ্যাসপারগার সিনড্রোমের রোগীরা সাধারন মানুষ থেকে একটু আলাদাই থাকে। তারা অটিজম হলেও তাদের মধ্যে যে সুপ্ত কিছু ক্রিয়েটিভিটি থাকে যেটা আদনানের মধ্যে ছিলো।
আবেগের সাথে আবেগের লড়াই জমজমাট ছিলো। আমি মনে করি আবেগ একটা দলিল, এই দলিলে অনেক প্রমান লুকিয়ে থাকে, আবেগ একটা ছদ্মবেশ যার মধ্যে আসল স্বত্তা আয়নার বিপরীতে লুকিয়ে থাকে, আবেগ একটা অস্ত্র যার গুলি বুলেটের চেয়েও ক্ষত সৃষ্টি করে। আবগের ফাঁদে পরেই যাচ্ছে মি আদনান। তুষির মৃত্যুর পিছনেও একটা আবেগ নিশ্চই কাজ করতো। সেই আবেগ গুলো কে চিহ্নিত করতে যায় মি আদনান, সেই সাথে আবেগময় পশুরুপী মানুষগুলোকেও দেখতে চায়, ধরতেও চায়। আবেগের মধ্যে সত্যিকারের ভালবাসাও থাকে। আজ সেই আবেগগুলো মৃত কিন্তু কল্পনায় জীবিত। প্রেম ভালোবাসার সাথে ক্রাইম ও ড্রামার সংমিশ্রন ভালোই ছিলো। লোকেশনগুলো চাইলে আরো ভালো করা যেতো। তবে থ্রিলিং গানের অভাবটা অনুভব করছিলাম। টেকনলজির ব্যাবহার গুলো সিরিজটাকে আরো ডেভেলপ করেছে।।
নাসির উদ্দিন খানের অভিনয় বরাবরই ভালো ছিলো। তার খল চরিত্র সিরিজে টান টান উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিলো। তবে সিরিজে বড় ধরনে টুইস্ট বা সাসপেন্স ছিলো না। সিরিজের প্লট হোল ছিলো। কিছু কিছু চরিত্র বা দৃশ্য না থাকলেও হতো। তবে যদি দ্বিতীয় সিজন করে তাহলে হয়ত কাহানী আরো উপলদ্ধি করা যাবে। আশা করি দ্বিতীয় সিজন হোক। নিশোর কথায় আসি তাহলে, অসাধারণ অভিনয় ও রিয়েল অটিজম এক্সপ্রেশন ছিলো। তবে মি আদনান এর চরিত্রে সিয়ামকে দিলে মন্দ হতো না। সিরিজের শুরুতেই হালকা থ্রিলিং ছিলো ধীরে ধীরে চরিত্রগুলো ড্রামা আকারে তুলে ধরা হলো। গল্প মোটামোটি। ডিরেকশন বেটার। বাংলাদেশ সিরিজে এগিয়ে যাক।
সিরিজে আরেকটা জিনিষ বুঝলাম কর্পোরেট সেক্টরে মেয়েদের কত শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হতে হয়। মেয়েরা বাধ্য হয়ে কত সেক্রিফাইস নিজেক করে। তুষিদের মত ভাল মেয়েদের আমাদের সমাজের কিছু লোকরাই নষ্ট করে।যদিও এটা যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।
সিন্ডিকেট (Syndicate) ওয়েব সিরিজ পাবলিক রিভিউ  - 4

রিভিউ লিখেছেন- MD Omar Khoyam

সময়ের কারণে একটু দেরীতে দেখা হয়েছে তবে সবাই এই সিরিজ কে নিয়ে প্রায়ই গ্রুপে যেইভাবে হাইপে তুলতেছে এত্ত হাইপের কিছুই পাই নি।
Web Series, Syndicate
Season 01
PR Rating 05/10
হালকা স্পয়লার এলার্ট
যারা আমার মতো থ্রিলার সিরিজ নাটক মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এই সিন্ডিকেট ওয়েব সিরিজ টি। তবে দেখতে বসার আগে বিভিন্ন গ্রুপ পেইজে শেয়ার করা ছোট ক্লিপ কিংবা রিভিউ দেখে অতিরিক্ত বেশী এক্সপেক্টশন নিয়ে দেখতে বসবেন না। নাহলে আমার মতো ডস খাবেন।
প্রথমেই যদি আসি অভিনয় এর সাবজেক্ট এই তাহলে বলবো এইখানে নিশো বলেন নাজিফা তুশি বলেন কিংবা তাসনিয়া ফারিন বলেন তাদের অভিনয়ে নিত্য নতুন তেমন কিছু একটা দেখতে পাবেন না।
নিশো কে এই ক্যারেক্টর এই এর আগেও বেশ কয়েকবার দেখেছি।
তবে এই সিরিজে নিশো নিজের যেই ক্যারেক্টর টা প্লে করেছে নিজের সর্বোচ্চ টা দিয়ে চেষ্টা করেছে এবং প্রায়ই পারফেক্ট লি ভাবেই প্লে করেছে।
নিশো ছাড়া ও এই গল্প টি মূলত যাকে ঘিরে শুরু হয় নাজিফা তুশি সে ও তার এক্সপ্রেসন এক্টিং পারফরম্যান্স নিজের বেস্ট টা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
এই গল্পে তাসনিয়া ফারিন এর বেশ একটা ভূমিকা ছিলো এবং সে ও তার সর্বোচ্চ টা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলো।
এই সিরিজ টি হাইপে উঠার মূল কারণ হলো এলেন স্বপন যে সিরিজের একদম শেষে গিয়ে নিজের আসল ক্যারেক্টারে ফিরে আসে তার ডায়লগ ডেলিভারি এক্সপ্রেস জাস্ট অসাধারণ ছিলো।
গল্প টা ইউনিক কিছু না হলেও একমাত্র এলেন স্বপন এর লাস্ট এর কিছু ডায়লগ এর জন্য এই সিরিজ টি সম্পূর্ণ হাইপে উঠেছে বলে আমি মনে করি।
ভালো না লাগার দিক,,
কিছু কিছু জায়গায় স্কিন প্লে স্লো ছিলো,
সিরিজের শুরুতে আপনাকে কিছুক্ষণ বোরিং না করলে ও মধ্যকানে গিয়ে কিছুটা বোর ফিল করাবে কিন্তু এরপর এলেন স্বপন নিজের ক্যারেক্টর এই ফিরে আসার আগ মুহুর্ত থেকে আপনাকে আর বোর ফিল করাবে না।
আমরা সবাই থ্রিলার কোনো সিরিজ মুভি দেখার সময় শেষে গিয়ে বড় ধরনের কোনো টুইস্ট অবশ্যই আশা করি তবে এই সিরিজে শেষে গিয়ে কোনো প্রকার কোনো বড় ধরনের কোনো টুইস্ট ছিলো না।
বুঝলাম আপনি ২য় সিজন আনবেন
কিন্তু আপনি ১ম সিজনে কি করলেন?
প্রায়ই মেইন ক্যারেক্টর গুলোকেই সমাপ্তি টেনে দিয়েছেন।
হতে পারে ২য় সিজনে আপনি আরও নতুন কিছু ক্যারেক্টর এড করবেন ইত্যাদি ইত্যাদি
তবে আপনার এই কাজ টির কারণে অডিয়েন্স দের ২য় সিজনের প্রতি আগ্রহ অবশ্যই কমে যাবে স্বভাবিক।
আর আপনি ১ম সিজনে শেষে গিয়ে এমন কোনো টুইস্ট রাখেন নি যে অডিয়েন্স আপনার ২য় সিজনের জন্য অপেক্ষা করবে।
যাই হউক আরও কিছু বলতে গেলে অতিরিক্ত বেশী স্পয়লার হয়ে যাবে।
এই সিরিজ টি ইউটিউবে পেয়ে যাবেন আর এইচডি দেখতে চাইলে অবশ্যই চরকি থেকে দেখে নিবেন তবে হ্যাঁ এইচডি ছাড়া দেখে বিন্দু মাত্র কোনো মজা পাবেন না।

সিন্ডিকেট (Syndicate) ওয়েব সিরিজ পাবলিক রিভিউ  - 5

রিভিউ লিখেছেন- Mahim Hasan Rifat

সিরিজের নাম: সিন্ডিকেট
সিজন: ১ম
এপিসডের সংখ্যা: ০৭
ওটিটি রিলিজ প্লাটফর্ম: চরকি
কান্ট্রি: বাংলাদেশ
জনরা: ড্রামা/ক্রাইম/থ্রীলার
ডিরেক্টর: শিহাব শাহীন
অভিনয়: আফরান নিশো,তাসনিয়া ফারিন,নাজিফা তুশি এবং আরো অনেকেই!
হালকা স্পয়লার থাকতে পারে
প্লট:Asperger's Syndrome এ আক্রান্ত বেঙ্গল ব্যাংকের সিনিয়র আইটি ম্যানেজার হাবিবুর রহমান আদনান এবং তার গার্লফ্রেন্ড একই ব্যাংকের কর্মী জোবাইদা ইয়াসমিন জিসা কে নিয়ে মুলত গল্পের শুরু।রোমান্টিক থ্রীলার হিসেবে শুরু করা সিরিজ শেষ হবে একটা রিভেঞ্জ থ্রিলার দিয়ে যা ট্রেইলার দেখেই আন্দাজ করা গেছিলো..ছোট সিরিজ।প্লট বা গল্প এর চাইতে বেশি বললে পুরাটা স্পয়লার হয়ে যাবে...
তবে রোমান্টিক থ্রীলার থেকে রিভেঞ্জ থ্রীলারে কেন রুপ নিল এটা জানতে অবশ্যই দেখে ফেলুন সদ্য রিলিজ পাওয়া চরকির অরিজিনাল সিরিজ সিন্ডিকেট....
রিভিউ: "কাজল চোখের মেয়ে
আমার দিবস কাটে বিবস হয়ে তোমার চোখে চেয়ে,
আমার বুকে আকাশ
তুই তাকালে থমকে থাকে আমার বুকের বা পাশ"
কবিতার লাইনের এই ডায়ালগ টা দিয়ে ই শুরু করি
এটা হলফ করে বলতে পারি নিশোর সেরা কাজগুলার মধ্যে আরো একটা হয়ে থাকতে যাচ্ছে এটা..কি সুন্দর সাবলীল অভিনয় টা নাই করলেন!
একটা মানুষ যেন নিজেকে নিজে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন অভিনয় দিয়ে।
তারপরে আছেন শিহাব শাহীন।উনার ডিরেকশনের প্রথম চরকির সিরিজ ছিলো নিশোর সাথেই মরিচীকা।এক্সপেকটেশন অনুযায়ী তেমন ভাল ওইটা না হইলেও এইটার ট্রেইলার দেখে মনে হয়েছিল ভাল কিছু একটা হয়তো পেতে যাচ্ছি।
সিনেমাটোগ্রাফি ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর ছিল একদম পার্ফেক্ট ফর দিস স্টোরি।বিশেষ করে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক  ছিল সত্যি ই অসাধারণ!
স্টোরি বিল্ডাপে একটু কনফিউজড ছিলাম,কারণ মনে হচ্ছিল লাস্টে যেয়ে একটু বেশি ই তালগোল পাকিয়ে ফেলবে..তবে সব ঠিকঠাক ছিল শেষ পর্যন্ত..স্ক্রিনে আপনার চোখ ধরে রাখার মত অনেক ভাল চেষ্টা ছিল ডিরেক্টরের কাছ থেকে..
তবে যারা একটু স্লো টাইপ স্টোরি বিল্ডাপ বা ড্রামাটিক টাইপ স্টোরি বিল্ডাপ পছন্দ করেন না তাদের হয়তো ভাল লাগবেনা।
তবে প্রথম এপিসড থেকেই আপনাকে যে ডিরেক্টর একটা সাসপেন্স রাখবে এটা নিশ্চিত!
সুন্দর একটা সাইকোলজিক্যাল সাসপেন্স ও পাবেন।তবে সব ছাপিয়ে আফরানের অভিনয় টাই আপনাকে বেশি ভাল লাগাতে বাধ্য করবে এটার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখতে।এছাড়া নাজিফা তুশি এবং ফারিন ও যার যার জায়গা তে পার্ফেক্ট ছিল।এবং আরো যারা অভিনয় করেছেন মোটামোটি সবাই সবার সেরাটা দিয়েছেন এটাকে ভাল করার জন্য..
তবে পুলিশের ইনভেজটিগেশন আরো ভাল করে দেখানোর দরকার ছিল গল্প টা আরেকটু গুছিয়ে মেইবি করা যেতো..লাস্ট দিকের ক্লাইম্যাক্স গুলা কেমন জানি মিলতেছিল না গল্পের সাথে..একটু বেশি ই সিনেমাটিক করার তারাহুরা না করলে আরো জমতো জিনিস টা
যেহেতু শেষের দিকে একটা হিন্ট থাকলো দ্বিতীয় পর্ব আনার আশা রাখি কাটিয়ে উঠবে এই জিনিসগুলা।
আমরা বড় পর্দাতে তেমন ভাল কিছু না পেলেও ছোট পর্দাতে কিন্তু ভাল কিছু পাচ্ছি।যেমন দুইদিন আগের আফরানের আরো একটি কাজ কায়জার।ওইটাও কিন্তু যথেষ্ট ভাল ছিল।
এসব ভাল কাজ গুলা আসতে থাকুক ওটিটি এর হাত ধরে..
আসুক বাংলা ভাল কন্টেন্ট......
#হ্যাপি_ওয়াচিং